試す 金 - 無料
মায়ামৃগ
ANANDAMELA
|September 20, 2025
তবুও কৌতূহলবশত মিনিট দশেক সেখানে অপেক্ষা করলাম। কিন্তু কোনও কিছুই ইন্দ্রিয়ে ধরা পড়ল না। এর পর উল্টো পথ ধরে একই ভাবে কোয়ার্টারে ফিরে এলাম। তার পর হাত-মুখ ধুয়ে শুয়ে পড়েছি।
পরীক্ষা শেষ। সামনে পুজো। তার পর লম্বা ছুটি। তাই দুপুরের খাওয়া সেরে আমি, দিব্যেন্দু আর পুলক আমবাগানের মাচায় বসে বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করছিলাম। হঠাৎ দেখি লক্ষ্মীজেঠু হাজির। জেঠুর পুরো নাম লক্ষ্মীচরণ রায়। জেঠু রেলে চাকরিরত। বদলির চাকরি। এর পর মাচায় চড়ে বসে জেঠু তাঁর বৈচিত্রময় জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের শোনাতে লাগলেন“আমার চাকরি জীবনের প্রথম পোস্টিং হয়েছিল একেবারে প্রকৃতির কোলে। যে দিকে তাকাও কেবল বন, পাহাড় আর বিরাট জলাশয়। সেখানের ছোট্ট রেল স্টেশনটার নাম ভারী অদ্ভুত, ‘মারাং বুরু হল্ট’। মারাং বুরু হলেন সাঁওতালদের আদি দেবতা। দিনে দু’একটার বেশি ট্রেন আসে না। থাকার জন্য স্টেশন লাগোয়া একটা ছোট্ট কোয়ার্টার ছিল। সেখানে দিনরাত পড়ে পড়ে ঘুমোও। এই হল আমার কাজ। বেশ আরামের চাকরি। আমার সহযোগী ছিল বছর পঁচিশের এক ছোকরা, পান্নালাল। খুব চটপটে আর পরিশ্রমী। পাশের গ্রাম থেকে বাজার-হাট, রান্না, জরুরি জিনিসপত্র আনা, এই সব সে-ই করত।”
এই পর্যন্ত বলে জেঠু থামলেন। “স্টেশন চত্বর শেষ হলেই শুরু বিরাট জঙ্গল। চার দিকে মহুয়া,পলাশ,পিয়াশাল, বহেরা, সেগুন, হরিতকী আরও কত অজানা গাছগাছালির বন। একটু ভিতরে পা রাখলে হামেশাই হরিণ, বুনো শূকর, হাতি, এ সব জন্তু-জানোয়ার বিচরণরত অবস্থায় দেখা যায়। স্টেশনের উল্টো মুখে জলাশয়ের ধারে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা তো লেগেই রয়েছে। সব মিলিয়ে কর্মস্থলে ছিল মনোরম পরিবেশ। জঙ্গল পেরিয়ে সাঁওতালদের বস্তি থেকে একটা অল্পবয়স্ক ছোকরা মাঝেমধ্যেই কোয়ার্টারে এটা-ওটা বেচতে আসত। ছেলেটির নাম যুগল সোরেন। বেঁটেখাটো স্বাস্থ্যবান। মাথায় ছোট করে ছাঁটা কোঁকড়ানো চুল। এক দিন একটা মুরগি তুলে নিয়ে এসে বলল, 'বাবু এটা লিবি?” “ওদের নিজস্ব ভাষা ওরা গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যবহার করলেও, ওদের উচ্চারিত বাংলা ভাষা বেশ চলনসই। আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'দাম কত?' “মেঝেয় বসে পড়ে জবাব দিল, ‘পয়সা লিবোক লাই। এমনি লিয়ে লে।'
このストーリーは、ANANDAMELA の September 20, 2025 版からのものです。
Magzter GOLD を購読すると、厳選された何千ものプレミアム記事や、10,000 以上の雑誌や新聞にアクセスできます。
すでに購読者ですか? サインイン
ANANDAMELA からのその他のストーリー
ANANDAMELA
বকুলতলার বেদি
অন্য ঘরগুলোয় তুলনায় এই তুলনায় এই ঘরের দরজাটা বেশ বড়, শক্তপোক্ত। ধীরে ধীরে দরজা খুলছে। খুলছে ভিতর দিকে। কেমন একটা ভ্যাপসা, ভিজে ভিজে গন্ধ৷ দেওয়ালে কোনও জানলা নেই। তার পরেই আঁতকে ওঠার মতো একটা দৃশ্য । ঘরটার কোনও মেঝে নেই। বিরাট এক গহ্বর। অন্ধকার।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
অপয়া
প্রলয় ওরফে পলুকে নিয়ে এক মানুষের জীবনের রহস্যময় মুহূর্তগুলোর গল্প—যার প্রতিটি দেখা যেন নতুন ঘটনার ইঙ্গিত। ভাগ্য, কাকতাল, আর মানুষের মনে জন্মানো অদ্ভুত বিশ্বাস—সব মিলিয়ে এক টানটান আবহের কাহিনি।
6 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
আশ্চর্য ইঙ্গিত
রাতের অমাবস্যায় দেবুর দুঃসাহসিক যাত্রা তাকে নিয়ে যায় জমিদারবাড়ির রহস্যের সামনে। ভূতের ইঙ্গিতেই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হয় হারানো রাধা–কৃষ্ণের মূর্তি, ফিরতে থাকে গ্রামের মেলা।
6 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
তারা এসেছিল
সে দিন রাতে আবার আওয়াজ শোনা গেল কাঠের বারান্দায়। কোনও ডাক নয়। বুক ঘষটে থপ থপ শব্দে কিছু উঠে আসার শব্দ যেন। কেন জানি না, টমির মনে হল, দরজা খোলাটা বোধ হয় ঠিক হবে না। জানলার পর্দাটা সরিয়ে উঁকি দিল বারান্দায়
8 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
চন্দনস্যর
১. বৃষ্টিভেজা সকালে বাসুদেববাবুর চোখে হঠাৎ ভেসে ওঠে পুরনো অঙ্কস্যর চন্দনস্যরের অবিকল চেহারা। ২. চল্লিশ বছর আগের মানুষটি যেন আজও অপরিবর্তিত—এ কোন রহস্য, নাকি তাঁর মনের ভুল?
12 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
তাতারের বন্ধু
অলৌকিক বলে কিছু হয় না। অন্তত তাতার তো মানে না। ওর বাবা কলেজে ফিজিক্স পড়ান ৷ মা-ও কলেজে পড়ান। তবে সাইকোলজি। ঠাকুরদা ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। বড় পদে চাকরি করতেন। সকলের আশা তাতারও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করবে।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
ভবানীবাবুর ভূত
হারু একটু ভীরু প্রকৃতির ছেলে। রীতিমতো ভয় পেয়ে সে বলল, “তা হলে কী হবে দাদা?” হরিদাস বলল, “হবে আর কী, কোনও দিন সকালে তোর দোকানে চা খেতে এসে দেখব, তুই ঘাড় লটকে মরে পড়ে আছিস।”
9 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
যেখানে ভূতের ভয়,
বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাস? অতিপ্রাকৃত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বললেন পৃথা বসু
3 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
পাহাড়ের সেই রাত
চিরকুট খুলতেই অতীতের লুকোনো সত্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। অভয়জির অলৌকিক ক্ষমতার আড়ালে যে ভয়াবহ অন্ধকার লুকিয়ে আছে, তা বুঝতে দেরি হল না।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
বশীকান্ত
নন্দুর উপস্থিতি টের পেয়ে বশীকান্ত একশো আশি ডিগ্রি মাথাটা ঘুরিয়ে বলল, “আরে নন্দুদা যে! আজ তোমার ছুটি, আমিই বাবুর পছন্দের রান্না করছি।” ভূতে তার নাম নিচ্ছে, নন্দু আর দাঁড়াল না। পাঁই পাঁই করে ছুটে পালিয়ে এল সেখান থেকে।
10 mins
October 05, 2025
Listen
Translate
Change font size
