कोशिश गोल्ड - मुक्त
মায়া প্রপঞ্চময়
Desh
|December 17, 2023
তার সঙ্গে কিছুদিন আগে নাকি নীপার দেখা হয়েছিল। বিশ্বস্ত সূত্রে শোনা যায়, নীপা নাকি তখন বুকের আঁচল ঠিক অথবা বেঠিক করতে করতে ছানাকে কীসব দরকারের কথা বলেছে। বিস্তারে জানাতে যায়, নিরালায়...
কটু আগেই নেপালবাবু পাগল হয়ে গেলেন। ঘোষবাড়িতে খুশির এ রোল উঠল। ওঁর বড় মেয়ে রত্না আনন্দে প্রায় কেঁদে ফেলে আর কী। ছোট মেয়ে নীপা শীতলা মন্দিরে গেল ডাব দিতে, আর ছেলে কেষ্টা যে কিনা বউ ছেলে নিয়ে মুম্বইতে থাকে, সে খবর পেয়ে বলল, “গণপতি বাপ্পা, মোরিয়া!”
নেপালবাবুর বয়স চৌষট্টি। তাঁদের পরিবারের ছেলেদের যাটের পরই পাগল হয়ে যাওয়ার নিয়ম। ভদ্রলোকের দুই ভাই, যাঁরা তাঁদের পরিবার পরিজন নিয়ে বর্ধমানের মেমারিতে থাকেন। তাঁরা দু'জনেই নিয়মমতো ষাট পেরোতে না পেরোতেই বিন্দুমাত্র আপত্তি না জানিয়ে উন্মাদ হয়ে গেছেন। একজন নেপালবাবুর বড়, আর-একজন ছোট। এখন দেশের বাড়িতে দু’জনে দুটো ঘরে থাকেন, বিড়বিড় করেন আর থেকে থেকেই চুপিচুপি গিয়ে জ্বাল দেওয়া হচ্ছে এমন দুধে এক খাবলা করে নুন ফেলে আসেন।
অথচ এই ট্র্যাডিশন ফলো করতে নেপালবাবুর এত সময় লাগছে কেন, সে নিয়ে তাঁর পরিবারে বিস্তর অশান্তি গেছে গত চার বছর ধরে। ছেলে কেষ্টা তো এই বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে নিউরোলজিস্ট ঋতব্রত দামের কাছে গুছিয়ে দু'ঘা খেয়েও এসেছে। জানতে চেয়েছিল, “আচ্ছা, বাবাকে কোনওভাবে শক থেরাপির মাধ্যমে ঘেঁটে দেওয়া যায় না?” কথা তা নয়। ব্যাপার হচ্ছে, নেপালবাবুর ভাইদের ক্ষেত্রে তাঁদের পরিবারের লোকজন প্রথমত ঘটনাটা নাকি মানতে পারেনি, দ্বিতীয়ত মূর্খের মতো চিকিৎসা করাচ্ছে আর তৃতীয়ত চিন্তিত মুখে পাগল রোগীর সেবা করে যাচ্ছে। মানুষ বলদ হলে কী আর করা।
নেপালবাবুর বড় ভাই গোপালবাবুর ছেলে সুশোভন— যার কিনা মেমারি স্টেশনের বাইরে মোবাইলের দোকান আছে— রোজ বিকেলবেলা নাকি পাগল বাপের হাত ধরে আলের ধার দিয়ে দিয়ে হেঁটে বেড়ায়, পাড়ুইদের দিঘিতে বখতিয়ারের মাছ ধরা দেখায় আর দত্তদের ঠাকুরদালানে নিয়ে গিয়ে মনসাবাড়িতে দেবী দর্শন করিয়ে আনে। এখন, বুড়ো বাপের পছন্দ-অপছন্দ যদি এভাবে তাঁর ছেলেমেয়েরা খেয়াল রাখে তথা মেটাতে থাকে, সেক্ষেত্রে জাঁকিয়ে বসা কলিকে যে এক আধুলিও খাজনা দেওয়া হল না, এটা বলদগুলোকে বোঝাবে কে।
यह कहानी Desh के December 17, 2023 संस्करण से ली गई है।
हजारों चुनिंदा प्रीमियम कहानियों और 10,000 से अधिक पत्रिकाओं और समाचार पत्रों तक पहुंचने के लिए मैगज़्टर गोल्ड की सदस्यता लें।
क्या आप पहले से ही ग्राहक हैं? साइन इन करें
Desh से और कहानियाँ
Desh
আবর্জনা
নন্দ সদর বাজারের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে একমনে বিড়ি টানছে, রাস্তার ওপারে তাকিয়ে সুযোগ খোঁজে। সকালবেলার ভদ্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে আছে তার চিরচেনা পকেটমারের জীবন।
14 mins
December 02, 2025
Desh
গৌরববাবুর অবসর
যে কারণেই হোক, ওঝা-টঝা ডাকা হয়নি। তবে পর দিন তনুশ্রী গৌরববাবুর মুখে একটা বাসি সন্দেশ গুঁজে দিলেন। সন্দেশটা টক টক। কিন্তু ঠাকুরের প্রসাদ টক ঝাল মিষ্টি যেমনই হোক, খেতেই হবে।
15 mins
December 02, 2025
Desh
তোমার ভাষা বোঝার আশা
ইংরেজি ভাষা ও সংস্কৃতির টানাপোড়েনে বেড়ে ওঠা অধ্যাপক অদ্বৈত ভট্টশালীর জীবনভ্রমণ এই গল্পে ভাষা, পরিচয় ও আত্মবোধের গভীর প্রশ্ন তুলে ধরে। চা বাগান থেকে আফ্রিকা ও ক্যারিবিয়ান পেরিয়ে তিনি শিখে নেন—ভাষার শুদ্ধতার চেয়েও মানুষের অভিজ্ঞতাই বড়।
10 mins
December 02, 2025
Desh
হেমলতা
শক্ত, কর্মক্ষম হেমলতা—সংসারের স্তম্ভ, শোককে জয় করে মমতা ও সাহসে গড়ে তোলা এক অনন্য জীবন। স্মৃতি, বিশ্বাস আর ভালোবাসায় ভর করে প্রজন্ম পেরোনো এক পূর্ণ সংসারের মানবিক আখ্যান।
7 mins
December 02, 2025
Desh
ব্যোমকালী
মনোবিদ বন্ধু পরামর্শ দিয়েছিল, “শোন ভাই, তোর বৌ যা সব করে, তা মনোরোগ। এক ধরনের অ্যাটেনশন সিকিং রোগ। তুই যখন দেখবি বৌ ভায়োলেন্ট আচরণ করছে, বা মারতে যাচ্ছে, তখন তাকে পাত্তা দিবি না।”
11 mins
December 02, 2025
Desh
আমি মন্ত্রী, সেটিই আমার এন্ট্রি কার্ড
খেলার মাঠে মানুষ তাঁদের চাইছে না— নেতা-মন্ত্রীরা কি দেওয়াল লিখন দেখতে পাচ্ছেন?
3 mins
December 02, 2025
Desh
জীবনস্রোত ও ব্যক্তিগত পরিচয়চিহ্ন
জীবন-যাপনের বহুবিধ খণ্ডচিত্র ধরা পড়েছে সাত জন শিল্পীর এই যৌথ প্রদর্শনীতে।
4 mins
December 02, 2025
Desh
কুরুক্ষেত্র
দুই ভাইয়ের পৈতৃক ভিটে ভাগ করতে গিয়ে উঠোনে পাঁচিল তোলার চেষ্টা থেকেই শুরু হয় বৌদের ঝগড়া, যা ধীরে ধীরে গোটা বাড়ির হাস্যকর কোলাহলে রূপ নেয়। গ্রাম-শহরের বদলে যাওয়া জীবন, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর দৈনন্দিন সংঘাতকে ব্যঙ্গ-রসের মোড়কে তুলে ধরা এক জীবন্ত পারিবারিক কাহিনি।
11 mins
December 02, 2025
Desh
করুণাধারায় এসো
পোষা বেড়ালটা মাছের লোভে পায়ের কাছে ঘুরঘুর করছিল এত ক্ষণ। সেও একখানা পোলভল্টের উচ্চতার লাফ দিয়ে উঠে বসল রান্নাঘরের কাবার্ডের উপরে।
11 mins
December 02, 2025
Desh
প্রেম ও পাচন
ভালবাসার মানুষের আঁচড়ে পাঁজর ভেঙে গেলেও রেগে গিয়ে পারুলকে বিয়ে করে ফেললেন নরোত্তম। আর অবাক হয়ে দেখলেন নেমন্তন্ন না করা সত্ত্বেও সেই বিয়ের বৌভাতে সেজেগুজে খেতে এসেছেন সরোজিনী।
9 mins
December 02, 2025
Translate
Change font size
