Intentar ORO - Gratis
বাবা আবহকে সমান্তরাল চিত্রনাট্য বলে মনে করতেন, যাকে সুর দিয়ে বোঝাতে হয়।
SANANDA
|June 15, 2025
সত্তরের দশকের কালজয়ী ছবিতে অনন্য মাত্রা যোগ করেছিল সলিল চৌধুরীর আবহ নির্মাণ। পুত্র সঞ্জয় চৌধুরীর স্মৃতিচারণায় ফিরে এল তাঁর সেই সত্তাটির কথা। আলাপচারিতায় উপমা মুখোপাধ্যায়।
গোটা দেশের নানা ভাষায় যে শিল্পীর পারদর্শিতা, সুরমূর্ছনা বহুদূর বিস্তৃত, তাঁর জীবনের, কাজের নানা পক্তি ঘেঁটে দেখতে গিয়ে কখনও কখনও এক সত্তার ঔজ্জ্বল্যে ঢাকা পড়ে যায় অন্য একটি সত্তা। স্বর্ণযুগের শিল্পী সলিল চৌধুরী গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে স্মরণীয় তো বটেই, পাশাপাশি তাঁর করা আবহ বা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকগুলিও অসামান্য শিল্পদক্ষতার স্বাক্ষর রাখে। ‘আনন্দ’, ‘মধুমতী’, ‘মৃগয়া’, ‘চিমিন', ‘কালা পান্থার' – গত শতকের একের পর পর কালজয়ী হিন্দি, বাংলা, মালয়লম ছবিতে আবহ নির্মাণের কাজ করেছিলেন সলিল চৌধুরী। শুধু সিনেমাতেই নয়, ‘ফিল্ম ডিভিশন অব ইন্ডিয়া'র প্রযোজনায় বেশ কিছু তথ্যচিত্রেও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের কাজ করেছিলেন। পুত্র সঞ্জয় চৌধুরী তাঁর এই সত্তাটিকে কাছ থেকে দেখেছেন। বাবার কাছেই তাঁর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের কাজ শেখা। পরবর্তীতে তিনি নিজেও কেরিয়ার গড়েছেন ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরার হিসেবেই। বাবার কাছে কী ভাবে এ বিষয়ে হাতেখড়ি হল তাঁর? “আমি বাবাকে বলতাম, সুর কী করে করতে হয়, আমাকে একটু শিখিয়ে দাও। বাবা তখন বলতেন, ‘সুর করা কাউকে শেখানো যায় না। একটা কথা মনে রাখবি, আমাদের আশপাশের প্রতিটা মানুষের কাছেই সুর রয়েছে। খুশিতে এক রকম, হতাশায় এক রকম, দুঃখে আর এক রকম টিউন.... কিন্তু তারা কম্পোজ়ার হতে পারে না, কারণ তারা সুরটা লিখে ফেলতে পারে না। যে সুর লিখতে, অর্গানাইজ় করতে, অ্যারেঞ্জ করতে পারে, সে-ই সুরকার।' তখনই বাবা আমাকে পরামর্শ দেন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজ়িক শেখার। আসলে এটা কিন্তু একটা সম্পূর্ণ আলাদা স্কুল অব মিউজিক। এর ভিত হল গল্প। যিনি কাজটা করছেন, তাঁকে সবার আগে গল্পটা ভাল করে পড়ে বুঝতে হবে।”
Esta historia es de la edición June 15, 2025 de SANANDA.
Suscríbete a Magzter GOLD para acceder a miles de historias premium seleccionadas y a más de 9000 revistas y periódicos.
¿Ya eres suscriptor? Iniciar sesión
MÁS HISTORIAS DE SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

