Versuchen GOLD - Frei
তিনি প্রথম থেকেই খুব স্নেহ করতেন, সেই ছোটবেলার টানটা রয়েই গিয়েছিল
SANANDA
|September 15, 2023
গুরুদেবের দেওয়া নাম নিয়ে সারা জীবন চলেছেন তিনিও। তাঁর নাচের সঙ্গে গান গেয়েছেন মোহরদি। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় করলেন নৃত্যশিল্পী দিয়ালী লাহিড়ী।
-
আ মার জন্মসাল ১৯৪০। তখন শান্তিনিকেতন ঠিক এমনটা ছিল না। তখন সত্যিই গুরুপল্লি অনেক বেশি ঘরোয়া ছিল। একটা পরিবারের মতো সেখানে আসা যাওয়া ছিল, মেলামেশা ছিল। মোহরদিকেও আমি দিদির মতোই দেখতাম। ওঁর ছোট বোন রুনু, ভাল নাম বীথিকা, আমার প্রিয় বান্ধবী ছিল। মোহরদিকে ভালও যেমন বাসতাম আবার সমীহও করতাম। মনে আছে মোহরদি, অরুন্ধতীদি (অভিনেত্রী অরুন্ধতী মুখোপাধ্যায়), নৃত্যশিল্পী সেবা মিত্র সামনের মাঠে গল্প করতেন। এঁদের রুচিবোধ, সাজপোশাক, হাঁটাচলা— সবকিছুর মধ্যে একটা স্টার কোয়ালিটি ছিল। মোহরদির কী স্নিগ্ধ হাসি! বেণি দুলিয়ে চলতেন, আমরা অবাক হয়ে দেখতাম। কিন্তু আমাদের কাছে খুবই কাছের ছিলেন। রোজ কতই না কথা হত। বকাও খেতাম। আবার আবদার করতাম কত! আমাদের বাড়িতে অনেক পুরোনো দিনের একটা এইচ এম ভি-র রেডিয়ো ছিল। তার স্মৃতি আমার কাছে বড় মধুর। মোহরদির গান থাকলে মোহরদির বাবা-মা, পাড়ার সকলে বসতাম। তখন কতটুকুই বা বয়স! ঘুমিয়ে পড়তাম গান শুনতে শুনতে। তবু সেই গানের গলা আমার আজও মনে রয়ে গিয়েছে। খালি মনে হত এ তো আমাদের ঘরের দিদি, সে কিনা এত বড়, এত মহান! তারপর আস্তে আস্তে আমি বড় হয়েছি। পাঁচের দশকের মাঝামাঝি যখন আমি নৃত্যের জগতে আসি, তখন মোহরদিকে অন্যভাবে দেখলাম। গুরুকুল পেরিয়ে, শান্তিনিকেতন পেরিয়ে তখন তিনি কলকাতার বঙ্গ সম্মেলনে, রবীন্দ্র-অনুষ্ঠানে গান গাইছেন। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান থাকলে ভিড় জমে যেত। তিনি তখন খ্যাতির মধ্য গগনে। কিন্তু আমার কাছে। শিখরে থাকা কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনও মোহরদি। কত মমতা তাঁর। আমি যখন নাচ করতাম তাঁর গানের সঙ্গে সেই মমতা, টান অনুভব করতাম। আমি যখন প্রথম তাঁর গানের সঙ্গে ওপেন স্টেজে নেচেছিলাম, তখন বুঝেছিলাম কতখানি আন্তরিকতা ছিল তাঁর। এত বড় যিনি গায়িকা, তিনি আমার প্রত্যেকটা মহড়া এসে দেখতেন। বলতেন ‘‘এখানে একটু আমরা থেমে করব কেমন? তাহলে অনেকটা নাটকীয়তা বাড়ে।” মোহরদির গানে অসাধারণ ড্রামাটিক এফেক্ট থাকত। তাই নৃত্যনাট্যের গানগুলো তাঁর গলায় অসাধারণ শোনাত। আমাকে আলাদা করে তাল শেখাতেন। লয় শিখেছি আমি ওঁর কাছে। আমার নাচের গুরু ছিলেন হরিদাস নায়ার।
Diese Geschichte stammt aus der September 15, 2023-Ausgabe von SANANDA.
Abonnieren Sie Magzter GOLD, um auf Tausende kuratierter Premium-Geschichten und über 9.000 Zeitschriften und Zeitungen zuzugreifen.
Sie sind bereits Abonnent? Anmelden
WEITERE GESCHICHTEN VON SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Translate
Change font size
