Denemek ALTIN - Özgür
মন হারাবার সেই দিন...অন্তবিহীন
SANANDA
|June 15, 2025
সলিল চৌধুরীর সঙ্গীত কোনও একক ঘরানায় বাঁধা নয়। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক। তাঁর সঙ্গীত-মননে | পাশ্চাত্য সুরের ছায়াকে ফিরে দেখার চেষ্টা করলেন পায়েল সেনগুপ্ত।
-
East is East and West is West, এরা কখনওই মিলিতে পারে না, রুডিয়ার্ড কিপলিং-এর ঔদ্ধত্যপূর্ণ উক্তির পর এক শতাব্দীরও অধিককাল পেরিয়ে গেছে... মানুষ আজ অন্তরীক্ষে কলোনী বাঁধার স্বপ্ন দেখছে..” কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'জলসাঘর' বক্তৃতায় বলেছিলেন সলিল চৌধুরী। এই অন্তরীক্ষের স্বপ্নই প্রোথিত হয়েছিল তাঁর সঙ্গীত সাধনায়, অন্তত প্রারম্ভে তো বটেই। ধীরে-ধীরে শিল্প ও আদর্শকে মেলানোর চেষ্টা করলেন তিনি। এই প্রচেষ্টার প্রতিফলন তাঁর লেখা ও সুরের বিরাট সৃষ্টিতালিকায়।
আজ থেকে শখানেক বছর আগে দেশের বাইরে শুধু নয়, বাংলার বাইরেরও সঙ্গীত-সংস্কৃতির খবর হাতের কাছে পৌঁছোনো কতটা কঠিন ছিল, আজকের নেট ও সমাজমাধ্যমের যুগে আন্দাজ করা শক্ত। তবুও সলিল চৌধুরীর ক্ষেত্রে সেই অসম্ভব অনেকটা সম্ভব হয়েছিল পারিবারিক কারণেই, মূলত কলকাতায় আসার পর থেকেই। আত্ম অনুলিখনে বলছেন, “তখনো জানতুম না যে, এই ২১ নং সুকিয়া স্ট্রিটের অন্ধকার স্যাঁতসেতে বাড়িটার মধ্যেই আমার জন্য প্রচণ্ড বিস্ময় অপেক্ষা করে আছে। মনে আছে...সন্ধেবেলা ওপরের দালানে বসে আমাদের গৃহশিক্ষক টুলুদার কাছে পড়ছি। হঠাৎ নিচে থেকে পিয়ানো বেহালা ক্ল্যারিওনেটে তবলায় বাজানো এক অপরূপ অর্কেস্ট্রার সুর বাজতে লাগল । আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলুম -এ সুর যেন এ বাড়িতে মানায় না। হঠাৎ যেন ধোঁয়ায় ভরা স্যাঁতসেঁতে ইট বের করা দেয়ালগুলো ভেঙে গিয়ে এক বিস্তীর্ণ মাঠের সামনে এনে খোলা হাওয়ায় আমাকে দাঁড় করিয়ে দিল। সে মুক্তির আশ্বাসের তীব্র আনন্দ আমি কোনোদিন ভুলব না।
দেশ ও দেশের প্রান্তসীমা পেরিয়ে সলিল চৌধুরীর একাধিক সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায় যে, পাশ্চাত্য সঙ্গীতের ছায়া তাঁর মননে গাঢ় হয়ে বসেছিল ছোটবেলা থেকেই। বাবা জ্ঞানেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন অসমের টি-এস্টেটের ডাক্তার। তাঁর মনে হত, অসমের চা-বাগানগুলিই যেন ছিল এক-একটি আস্ত ভারতবর্ষ। ভারতের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ এসে জড়ো হতেন সেখানে। সেই সঙ্গে এসেছিল সে সব মানুষের সংস্কৃতি। লোক সংস্কৃতির দরজা তাঁর জন্য খুলে গিয়েছিল তখন থেকেই। আবার বাড়িতে বাবার ছিল ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যালের সংগ্রহ। বাখ, বেঠোফেন, মোৎজ়ার্ট-এর সিম্ফনি ছেলেবেলা থেকে শুনে শুনে সলিলের সেগুলোকে আর আলাদা করে পাশ্চাত্য বলে মনে হয়নি। বাবার ঊর্ধ্বতন ডা. মালোনির কাছেও ছিল ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যালের রেকর্ড।
Bu hikaye SANANDA dergisinin June 15, 2025 baskısından alınmıştır.
Binlerce özenle seçilmiş premium hikayeye ve 9.000'den fazla dergi ve gazeteye erişmek için Magzter GOLD'a abone olun.
Zaten abone misiniz? Oturum aç
SANANDA'den DAHA FAZLA HİKAYE
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

