Denemek ALTIN - Özgür
ধর্না
SANANDA
|June 15, 2025
এমন বড়লোক পরিবারে ছেলের সম্বন্ধ করতে মায়া উদগ্রীব। দাবিদাওয়ার বিষয়ে কাল অনেক রাত পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী আলোচনা করেছে। মায়ার একটাই কথা, যতটা সম্ভব বুঝে নিতে হবে। শিশির ও পান্নালালের পিছনের দিকে জানালার পর্দাটা দুলছে। হাওয়ায় নয়, মায়া কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে ওখানে।
বড্ড ভয়ে আছে টগর। মামা রেগে আছে তার উপর। যখন আসে, ভয়ানক লাল চোখে তাকায় তার দিকে। কথা বলে না পারতপক্ষে। যেটুকু বলে, তা-ও খুনে মেজাজে। গোঁয়ারগোবিন্দ মানুষটা এমনিতে অবশ্য খুব ভাল। বাবা-মরা মেয়ে বলে অসম্ভব ভালবাসে তাকে। আসলে বিরাজ জেঠু ফুঁ দিয়ে মামার কথাটা উড়িয়ে দিয়েছে। আর তাতেই অপমানিত মামার সব রাগ নিয়ে পড়েছে ভাগ্নির উপর।
মন ভাল নেই টগরের। শুভদা ফোন ধরছে না। কতবার যে ফোন করেছে এই ক'দিনে! আগে তবুও ফোনটা বাজত, এখন ক্রমাগত সুইচ অফ বলছে। টগর বোঝে, কথা বলতে চাইছে না শুভদা। কেন? কী হয়েছে ওর? টগর তো কিছু বলেনি! শুধু কেঁদেছিল, হাপুস কেঁদেছিল। কেঁদেই ভারমুক্ত হতে চেয়েছিল সে। তার পরেও এমন করবে শুভদা? একবার খোঁজ নেবে না, সে কেমন আছে? দেওয়ালে ঝোলানো বাবার ফটোর দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে উঠল টগর। শুভদা এমন করলে আমি কী নিয়ে বাঁচব, বাবা?
আজ ত্রয়োদশী। মা বলে তেরাদশি। পুণ্যদিন আজ। দুর্গামন্দিরে এ দিন বিশেষ পুজো হয়। মা পুজো করিয়ে ফিরল একটু আগে। টগর যায়নি। তার শরীরটা ধ্বস্ত। একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠে। নার্সিংহোমের ডাক্তারবাবু ভাল-মন্দ খেতে আর কিছু দিন শুয়েবসে থাকতে পরামর্শ দিয়েছিল। চলে আসার সময় মুখের দিকে না তাকিয়ে, যেন দেওয়ালকে উদ্দেশ করে বলেছিল, “যা হয়েছে তা নিয়ে না ভাবাই ভাল। সব ভুলে নতুন করে শুরু করতে হবে।” টগর বুঝেছিল, যন্ত্রের মতো এই একটা কথাই তার মতো সকলকে ঘুরিয়েফিরিয়ে বলে ডাক্তারটা। কিন্তু নতুনটা যে কী ভাবে শুরু করতে হবে, তা বলে না। যা হল, ভোলা কি সহজ? মানুষের মন কি রিমোট চালিত যন্ত্র যে এক টাচেই অফ-অন হয়ে যাবে?
মন ভাল নেই টগরের। এখন ক্ষণে ক্ষণে কান্না আসে তার। কেঁদেওছিল মায়ের বয়সি মহিলাটাকে জড়িয়ে। তার পরিচয় টগর জানে না। নার্সিংহোমে আগাগোড়া সে-ই টগরের যত্ন নিয়েছিল। অপরিচিত গ্রাম্য মহিলাটির হাতের স্পর্শে মমতার ছোঁয়া ছিল। কানের কাছে ফিসফিস করে সে দুঃখ করেছিল, “কাঁচা বয়সে এই ভুলগুলান ক্যানে যে করিস তোরা! কত বেদনা পেলি বল তো?” তাকে জড়িয়ে হাউহাউ করে কেঁদেছিল টগর। মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে সে সান্ত্বনা দিয়েছিল, “কানলে হবে না রে মেয়ে। নিজের হিস্যা বুঝে লিবি। তাতে কাউকে ছাড়ান নাই।” নিজের হিসেব কী করে বুঝতে হয় টগর জানে না। কেউ তো শেখায়নি তাকে!
Bu hikaye SANANDA dergisinin June 15, 2025 baskısından alınmıştır.
Binlerce özenle seçilmiş premium hikayeye ve 9.000'den fazla dergi ve gazeteye erişmek için Magzter GOLD'a abone olun.
Zaten abone misiniz? Oturum aç
SANANDA'den DAHA FAZLA HİKAYE
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

