Try GOLD - Free
সমাধান যখন আইভিএফ
SANANDA
|November 15, 2024
আইভিএফ করালে জীবনধারায় কেমন পরিবর্তন আনা জরুরি? এ নিয়ে ভুল ধারণা কী কী? জানাচ্ছেন ইনফার্টিলিটি ও আইভিএফ স্পেশ্যালিস্ট ডা. সুজয় দাশগুপ্ত। লিখছেন উপমা মুখোপাধ্যায়।
সন্তান ধারণের বিষয়টি প্রত্যেক দম্পতির কাছেই সুখানুভূতি বয়ে আনে। কিন্তু পরিস্থিতি আর দৈহিক সুস্থতা সহায় না হলে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে গর্ভধারণের ক্ষেত্রে বেগ পেতে হতে পারে। তবে বর্তমানে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে নানা পদ্ধতিতে এই বাধার মোকাবিলা করা সহজ হয়ে উঠছে। তেমনই এক পদ্ধতি হল আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। রইল বিশদ আলোচনা.....
আইভিএফ— কেন করাবেন? অনেকের ধারণা, কেবল বেশি বয়সে মাতৃত্ব চাইলেই আইভিএফ করানো হয়ে থাকে। কিন্তু আরও নানা কারণে আইভিএফ-এর দ্বারস্থ হতে পারেন সন্তান চাইছেন এমন দম্পতিরা। মহিলাদের ক্ষেত্রে যদি ডিম্বাশয় সঠিক ভাবে কাজ না করে (এগের সংখ্যা কম হওয়া বা ওভুলেশন না হওয়া), ল্যাপারোস্কোপি করে দেখা যায় ফ্যালোপিয়ান টিউবে ব্লক আছে কিংবা যদি তিনি গুরুতর ভাবে এন্ডোমেট্রোসিস (জরায়ুর টিসু জরায়ুর বাইরে ডিম্বাশয় বা ফ্যালোপিয়ান টিউবের উপরে চলে আসা)-এ আক্রান্ত হন, তা হলে ডাক্তার আইভিএফের মাধ্যমে সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে, শুক্রাণুর সংখ্যা অত্যন্ত কম থাকলে বা বীর্যপাতে সমস্যা থাকলে চিকিৎসক আইভিএফ করানোর পরামর্শ দিতে পারেন। এ ছাড়াও যে সব মহিলাদের পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম)-এর সমস্যা আছে এবং ওষুধ খেয়ে বা অন্য কোনও পদ্ধতিতেই সাধারণ ভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হচ্ছে না, তারা আইভিএফ করাতে পারেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্ব না থাকলেও আইভিএফ করাতে হতে পারে। দম্পতিদের মধ্যে একজনের যদি কোনও জেনেটিক সমস্যা থেকে থাকে, সে ক্ষেত্রে অনাগত সন্তানের মধ্যেও সেই রোগের প্রবাহ আটকাতে চিকিৎসকেরা আইভিএফএর সাহায্য নেওয়ার কথা বলেন। এ ক্ষেত্রে পিজিটি (প্রিইমপ্লান্টেশন জেনেটিক টেস্টিং) নামক একটি পদ্ধতি থাকে, যা থেকে ভ্রূণের জিনগত সমস্যা আছে কি না, তা স্ক্রিনিং করে দেখা হয় ।
This story is from the November 15, 2024 edition of SANANDA.
Subscribe to Magzter GOLD to access thousands of curated premium stories, and 10,000+ magazines and newspapers.
Already a subscriber? Sign In
MORE STORIES FROM SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

