試す 金 - 無料
মহাজীবনের কবিতা
Desh
|February 02, 2025
এ বই অধ্যয়ন, অনুভব এবং একইসঙ্গে অবগাহনের। ১৯৭০ থেকে ১৯৮৬, মোট ষোলো বছরের দিনলিপি, কিছু চিঠি এবং প্রয়োজনীয় নোট নিয়ে নির্মিত তারকোভস্কির ডায়েরি।
শীতের বিকেলগুলি জুড়ে এক অদ্ভুত মনখারাপ ভর করে। যেন পৃথিবীর কোনও প্রাচীন মায়ার ভিতর জঙ্গলে নেমে আসছে সন্ধ্যা। যে-পথে দাঁড়িয়ে আছি, মনে হয়, প্রতিটি ঋতুর বুকে এই সব সুমহান গাছ, পাল্টে নিচ্ছে নিজের আভরণ। রং পাল্টে যাচ্ছে পাতার। ঘন শিশিরের বুকে এক দল বনটিয়া বাসায় ফিরছে। হয়তো এইমাত্র একটি লেজঝোলা কাঠবিড়ালি লাফ দিয়ে চলে গেল কোথায়, বুঝতে পারছি না। আসলে কাল থেকে কালান্তরে বাইরের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এই অন্তপ্রকৃতির অমোঘ রসায়ন আমাদের মনকে ওই সব গাছের মতোই দীর্ঘতর করে, সামান্য তবু অসামান্য প্রাণকে বিস্তার দেয় অপরিসীম উচ্চতায়। বহুজনের ভিতরে থেকে তখন এক নির্জন বুঝে উঠতে চায় জীবনের রহস্য – কেন এসেছি আমরাভুবনজুড়ে ঘুরপাক খায় উদ্দেশ্য। প্রাণের এক অংশ স্থিত হয় প্রশ্নে আর অন্য অংশ উত্তরের আকাঙ্ক্ষায় অস্থির হয়ে ওঠে। প্রকৃতিকে অনুধাবন করতে-করতে একটি সার্থক শিল্পের দিকেই তখন বুঝি তার অগ্রসরণ। হয়তো কবিতা, হয়তো চলচ্চিত্র, হয়তো নাটক, হয়তো অন্য কোনও শিল্প-প্রকরণ তাকে অনুমিতি নয় ভিতরের ধীশক্তি দিয়ে বুঝতে সাহায্য করে মহাজীবনের বিস্ময়! -
আন্দ্রেই তারকোভস্কির সাতটি পূর্ণ চলচ্চিত্র যেন সপ্তসিন্ধুর গভীরতায় বারবার আমাকে জীবনের এই বিস্ময় ও সূক্ষ্মতা খুঁজে পেতে প্রণোদিত করেছে। আর তাঁর ডায়েরি টাইম উইদিন টাইম পড়তে-পড়তে মনে হচ্ছে, এ বই অধ্যয়ন, অনুভব এবং একইসঙ্গে অবগাহনের। ১৯৭০ থেকে ১৯৮৬, মোট ষোলো বছরের দিনলিপি, কিছু চিঠি এবং প্রয়োজনীয় নোট নিয়ে নির্মিত এ গ্রন্থ চিত্রপরিচালকের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল। সিগাল বুকস কর্তৃক প্রকাশিত এই বইয়ের অনুবাদ করেছেন কিটি হান্টার-ব্লেয়ার। অনুবাদকের ভূমিকাতেই কিটি জানিয়েছেন, আসলে ডায়েরি এবং তাঁর এই নোটগুলি পাঠককে উদ্দেশ করে নয়, বরং মুহূর্তের তাগিদে তাদের লিখেছেন তিনি, ছিন্ন করেছেন। ডায়েরির একেবারে প্রথম দিন ১৯৭০ সালের ৩০ এপ্রিল। দ্বিতীয় দিন তার দশদিন পরে, পরেরটি হয়তো আরও পনেরো দিনের অন্তরে—এই ভাবে দিনলিপির পারম্পর্য রক্ষা না-করেই তিনি তাঁর কাজ, আগামী ভাবনা, ব্যক্তিগত অনুভূতি, ইচ্ছে, অসহায়তা ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করেছেন।
このストーリーは、Desh の February 02, 2025 版からのものです。
Magzter GOLD を購読すると、厳選された何千ものプレミアム記事や、10,000 以上の雑誌や新聞にアクセスできます。
すでに購読者ですか? サインイン
Desh からのその他のストーリー
Desh
আবর্জনা
নন্দ সদর বাজারের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে একমনে বিড়ি টানছে, রাস্তার ওপারে তাকিয়ে সুযোগ খোঁজে। সকালবেলার ভদ্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে আছে তার চিরচেনা পকেটমারের জীবন।
14 mins
December 02, 2025
Desh
গৌরববাবুর অবসর
যে কারণেই হোক, ওঝা-টঝা ডাকা হয়নি। তবে পর দিন তনুশ্রী গৌরববাবুর মুখে একটা বাসি সন্দেশ গুঁজে দিলেন। সন্দেশটা টক টক। কিন্তু ঠাকুরের প্রসাদ টক ঝাল মিষ্টি যেমনই হোক, খেতেই হবে।
15 mins
December 02, 2025
Desh
তোমার ভাষা বোঝার আশা
ইংরেজি ভাষা ও সংস্কৃতির টানাপোড়েনে বেড়ে ওঠা অধ্যাপক অদ্বৈত ভট্টশালীর জীবনভ্রমণ এই গল্পে ভাষা, পরিচয় ও আত্মবোধের গভীর প্রশ্ন তুলে ধরে। চা বাগান থেকে আফ্রিকা ও ক্যারিবিয়ান পেরিয়ে তিনি শিখে নেন—ভাষার শুদ্ধতার চেয়েও মানুষের অভিজ্ঞতাই বড়।
10 mins
December 02, 2025
Desh
হেমলতা
শক্ত, কর্মক্ষম হেমলতা—সংসারের স্তম্ভ, শোককে জয় করে মমতা ও সাহসে গড়ে তোলা এক অনন্য জীবন। স্মৃতি, বিশ্বাস আর ভালোবাসায় ভর করে প্রজন্ম পেরোনো এক পূর্ণ সংসারের মানবিক আখ্যান।
7 mins
December 02, 2025
Desh
ব্যোমকালী
মনোবিদ বন্ধু পরামর্শ দিয়েছিল, “শোন ভাই, তোর বৌ যা সব করে, তা মনোরোগ। এক ধরনের অ্যাটেনশন সিকিং রোগ। তুই যখন দেখবি বৌ ভায়োলেন্ট আচরণ করছে, বা মারতে যাচ্ছে, তখন তাকে পাত্তা দিবি না।”
11 mins
December 02, 2025
Desh
আমি মন্ত্রী, সেটিই আমার এন্ট্রি কার্ড
খেলার মাঠে মানুষ তাঁদের চাইছে না— নেতা-মন্ত্রীরা কি দেওয়াল লিখন দেখতে পাচ্ছেন?
3 mins
December 02, 2025
Desh
জীবনস্রোত ও ব্যক্তিগত পরিচয়চিহ্ন
জীবন-যাপনের বহুবিধ খণ্ডচিত্র ধরা পড়েছে সাত জন শিল্পীর এই যৌথ প্রদর্শনীতে।
4 mins
December 02, 2025
Desh
কুরুক্ষেত্র
দুই ভাইয়ের পৈতৃক ভিটে ভাগ করতে গিয়ে উঠোনে পাঁচিল তোলার চেষ্টা থেকেই শুরু হয় বৌদের ঝগড়া, যা ধীরে ধীরে গোটা বাড়ির হাস্যকর কোলাহলে রূপ নেয়। গ্রাম-শহরের বদলে যাওয়া জীবন, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর দৈনন্দিন সংঘাতকে ব্যঙ্গ-রসের মোড়কে তুলে ধরা এক জীবন্ত পারিবারিক কাহিনি।
11 mins
December 02, 2025
Desh
করুণাধারায় এসো
পোষা বেড়ালটা মাছের লোভে পায়ের কাছে ঘুরঘুর করছিল এত ক্ষণ। সেও একখানা পোলভল্টের উচ্চতার লাফ দিয়ে উঠে বসল রান্নাঘরের কাবার্ডের উপরে।
11 mins
December 02, 2025
Desh
প্রেম ও পাচন
ভালবাসার মানুষের আঁচড়ে পাঁজর ভেঙে গেলেও রেগে গিয়ে পারুলকে বিয়ে করে ফেললেন নরোত্তম। আর অবাক হয়ে দেখলেন নেমন্তন্ন না করা সত্ত্বেও সেই বিয়ের বৌভাতে সেজেগুজে খেতে এসেছেন সরোজিনী।
9 mins
December 02, 2025
Listen
Translate
Change font size
