कोशिश गोल्ड - मुक्त
পাহাড়ের সেই রাত
ANANDAMELA
|October 20, 2025
চিরকুট খুলতেই অতীতের লুকোনো সত্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। অভয়জির অলৌকিক ক্ষমতার আড়ালে যে ভয়াবহ অন্ধকার লুকিয়ে আছে, তা বুঝতে দেরি হল না।
চিরকুটটা খুলেই চমকে উঠলাম। অবাক হয়ে তাকালাম অভয়জির দিকে। অভয়জির ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি । দুটো চোখ আমার দিকেই স্থির। অভয়জির খোঁজ আমাকে দিয়েছিল সানডে ক্লাবের মোহন আগরওয়াল। আমার বন্ধু। কলকাতায় কনস্ট্রাকশনের ব্যবসা আমার। কিন্তু গত দু'বছর ধরে সব লোকসানে। মামলা মোকদ্দমা, তার উপর মায়ের শরীরটাও খুব খারাপ। টাকা বেরোচ্ছে জলের মতো। মোহন বলল, “যাও না একবার অভয়জির কাছে। আমার ভগ্নিপতির তো ভাগ্যই ফিরিয়ে দিয়েছেন ভদ্রলোক।” অভয়জি এক জায়গায় বেশি দিন থাকেন না। শুনলাম, উনি নাকি এবার উত্তরাখণ্ডে আসছেন। সেই মতোই ছুটে এসেছি এখানে। আলমোড়া থেকে তিয়াত্তর কিলোমিটার দূরে। পাইনবনে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটায়। অভয়জির আসল নাম অভয়চরণ শুক্ল। বয়স সত্তরের উপর। ঘাড়ের নীচ পর্যন্ত কাঁচা-পাকা চুল। সাদা আলখাল্লার উপর লাল-নীল পাথরের ঢাউস মালা। সন্ন্যাসী নন। অকাল্টিস্ট। মানুষের ভূত ভবিষ্যৎ মুহূর্তে জেনে ফেলেন তিনি। সব সমস্যার সমাধানও করে দিতে পারেন চোখের নিমেষে। আমাকে দেখে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে রইলেন অভয়জি। তার পর ডান হাতটা হঠাৎ ছুড়ে দিলেন শূন্যে। কী যেন ধরে ফেললেন খপ করে। তার পর হাতটা নাচিয়ে নিয়ে চলে এলেন আমার মুখের সামনে। খুললেন মুঠোটা। হাতের ভিতর একটা চিরকুট।
সরু এক ফালি কাগজ। ভিতরে লাল কালিতে, গোটা গোটা অক্ষর। হিন্দিতে লেখা, ‘তুই ক্লাস ওয়ানে ফেল করেছিলি'। হাতটা কেঁপে গেল। সত্যি ফেল করেছিলাম ক্লাস ওয়ানে। প্রবল রেগে গেছিল বাবা। পাঠিয়ে দিয়েছিল হোস্টেলে। তার পর থেকে অবশ্য ভালই রেজ়াল্ট করেছি আমি। কিন্তু প্রায় আটাশ বছর আগে ক্লাস ওয়ানে ফেল করার কথা কী করে জানলেন অভয়জি? লোকটার সত্যিই অলৌকিক ক্ষমতা আছে তার মানে! “অউর কুছ? বোল কেয়া জাননা হ্যায়?” আবার বললেন অভয়জি। চার পাশে তাকালাম। ঘরভর্তি লোক। লজ্জা লাগল খুব। এত লোকের মাঝে কথাটা ফাঁস হয়ে গেলে মুখ দেখানোর উপায় থাকবে না। মাথা নেড়ে চলে এলাম। গুটিসুটি মেরে বসে রইলাম একদম পিছনে।
यह कहानी ANANDAMELA के October 20, 2025 संस्करण से ली गई है।
हजारों चुनिंदा प्रीमियम कहानियों और 10,000 से अधिक पत्रिकाओं और समाचार पत्रों तक पहुंचने के लिए मैगज़्टर गोल्ड की सदस्यता लें।
क्या आप पहले से ही ग्राहक हैं? साइन इन करें
ANANDAMELA से और कहानियाँ
ANANDAMELA
বকুলতলার বেদি
অন্য ঘরগুলোয় তুলনায় এই তুলনায় এই ঘরের দরজাটা বেশ বড়, শক্তপোক্ত। ধীরে ধীরে দরজা খুলছে। খুলছে ভিতর দিকে। কেমন একটা ভ্যাপসা, ভিজে ভিজে গন্ধ৷ দেওয়ালে কোনও জানলা নেই। তার পরেই আঁতকে ওঠার মতো একটা দৃশ্য । ঘরটার কোনও মেঝে নেই। বিরাট এক গহ্বর। অন্ধকার।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
অপয়া
প্রলয় ওরফে পলুকে নিয়ে এক মানুষের জীবনের রহস্যময় মুহূর্তগুলোর গল্প—যার প্রতিটি দেখা যেন নতুন ঘটনার ইঙ্গিত। ভাগ্য, কাকতাল, আর মানুষের মনে জন্মানো অদ্ভুত বিশ্বাস—সব মিলিয়ে এক টানটান আবহের কাহিনি।
6 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
আশ্চর্য ইঙ্গিত
রাতের অমাবস্যায় দেবুর দুঃসাহসিক যাত্রা তাকে নিয়ে যায় জমিদারবাড়ির রহস্যের সামনে। ভূতের ইঙ্গিতেই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হয় হারানো রাধা–কৃষ্ণের মূর্তি, ফিরতে থাকে গ্রামের মেলা।
6 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
তারা এসেছিল
সে দিন রাতে আবার আওয়াজ শোনা গেল কাঠের বারান্দায়। কোনও ডাক নয়। বুক ঘষটে থপ থপ শব্দে কিছু উঠে আসার শব্দ যেন। কেন জানি না, টমির মনে হল, দরজা খোলাটা বোধ হয় ঠিক হবে না। জানলার পর্দাটা সরিয়ে উঁকি দিল বারান্দায়
8 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
চন্দনস্যর
১. বৃষ্টিভেজা সকালে বাসুদেববাবুর চোখে হঠাৎ ভেসে ওঠে পুরনো অঙ্কস্যর চন্দনস্যরের অবিকল চেহারা। ২. চল্লিশ বছর আগের মানুষটি যেন আজও অপরিবর্তিত—এ কোন রহস্য, নাকি তাঁর মনের ভুল?
12 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
তাতারের বন্ধু
অলৌকিক বলে কিছু হয় না। অন্তত তাতার তো মানে না। ওর বাবা কলেজে ফিজিক্স পড়ান ৷ মা-ও কলেজে পড়ান। তবে সাইকোলজি। ঠাকুরদা ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। বড় পদে চাকরি করতেন। সকলের আশা তাতারও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করবে।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
ভবানীবাবুর ভূত
হারু একটু ভীরু প্রকৃতির ছেলে। রীতিমতো ভয় পেয়ে সে বলল, “তা হলে কী হবে দাদা?” হরিদাস বলল, “হবে আর কী, কোনও দিন সকালে তোর দোকানে চা খেতে এসে দেখব, তুই ঘাড় লটকে মরে পড়ে আছিস।”
9 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
যেখানে ভূতের ভয়,
বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাস? অতিপ্রাকৃত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বললেন পৃথা বসু
3 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
পাহাড়ের সেই রাত
চিরকুট খুলতেই অতীতের লুকোনো সত্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। অভয়জির অলৌকিক ক্ষমতার আড়ালে যে ভয়াবহ অন্ধকার লুকিয়ে আছে, তা বুঝতে দেরি হল না।
7 mins
October 20, 2025
ANANDAMELA
বশীকান্ত
নন্দুর উপস্থিতি টের পেয়ে বশীকান্ত একশো আশি ডিগ্রি মাথাটা ঘুরিয়ে বলল, “আরে নন্দুদা যে! আজ তোমার ছুটি, আমিই বাবুর পছন্দের রান্না করছি।” ভূতে তার নাম নিচ্ছে, নন্দু আর দাঁড়াল না। পাঁই পাঁই করে ছুটে পালিয়ে এল সেখান থেকে।
10 mins
October 05, 2025
Listen
Translate
Change font size
