Intentar ORO - Gratis
‘এমনও হয়েছে, মা শো করে সংসার চালিয়েছেন”
SANANDA
|June 15, 2025
সলিল চৌধুরীর পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে অপরিসীম ভূমিকা ছিল স্ত্রী সবিতা চৌধুরীর। তাঁরা ছিলেন একে অপরের পরিপূরক, দুঃসময়ে একে অপরের সাপোর্ট সিস্টেম। মা-বাবার সমীকরণ নিয়ে অকপট অন্তরা চৌধুরী। সেই কাহিনি শুনলেন মধুরিমা সিংহ রায়।
‘বাবা বলতেন, তোর মা না থাকলে আমি বোধহয় থাকতাম না। তোর মা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে, ' ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে একটু ঝগড়া হলেই সলিল চৌধুরী এ কথা বলতেন মেয়ে অন্তরাকে। আসলে, সলিল চৌধুরীর শিল্পী ও ব্যক্তিজীবনে বিরাট প্রভাব ছিল তাঁর স্ত্রী সবিতা চৌধুরীর। বয়সে প্রায় ১৫ বছরের ছোট ছিলেন বলে, তিনি স্ত্রীকে ডাকতেন ‘ছুটি’ নামে। দক্ষিণ কলকাতায় অন্তরা চৌধুরীর অধুনা বাড়িতে বসে তাঁর বাবা-মায়ের পারস্পরিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনার শুরুতেই বোঝা গিয়েছিল, এ হতে চলেছে দীর্ঘ আলোচনা...
বম্বে ইয়ুথ কয়্যারে প্রথম আলাপ সলিল ও সবিতা চৌধুরীর প্রথম আলাপ বম্বেতে, ১৯৫৮ সাল নাগাদ। তার কিছু পরেই তাঁদের বিয়ে হয়। সবিতা চৌধুরী তখন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী, তবে সলিল চৌধুরীর সঙ্গে কে না কাজ করতে চান! সেই তাগিদেই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টায় ছিলেন। অন্তরা বললেন, “বাবা তখন বম্বে ইয়ুথ কয়্যার গঠন করেছেন। মা দারুণ গাইতেন। কেউ একজন মা-কে বলেন, সলিল চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করতে। বম্বে ইয়ুথ কয়্যারের অনুষ্ঠানে গিয়ে মা দেখেন মঞ্চে কোরাস চলছে। আর মধ্যমণি হয়ে একজন হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন, উজ্জ্বল তাঁর দুই চোখ। তিনিই ছিলেন আমার বাবা। সেই উজ্জ্বল চোখের মানুষটিকে গান শোনানোর সুযোগ পান মা। সেখান থেকেই প্রথম আলাপ। গান পছন্দ হয় বাবার। বাবার সুরে মায়ের প্রথম গান ছিল ‘হলুদ গাঁদার ফুল'। জানেন, ওঁদের সম্পর্কটাও খুব রোম্যান্টিক ছিল,” বললেন অন্তরা। আসলে, পরবর্তীতে মাকে লেখা বাবার চিঠিগুলো পড়ে অন্তরার মনে হয়, এত ব্যক্তিগত আবেগের ছোঁয়া নিখাদ ভালবাসা না থাকলে বোধহয় সম্ভব নয়! প্রথম সন্তান সুকান্ত জন্মায় ১৯৬১-তে। সুকান্ত, সঞ্জয়, অন্তরা ও সঞ্চারী...চার ছেলেমেয়ে তাঁদের। সংসার, সন্তান, গান ও জিনিয়াস স্বামীর কেরিয়ার সামলানোর দায়িত্ব... এত কিছু একসঙ্গে করতেন সবিতা। নিখাদ ভালবাসা ছিল বলেই বোধহয় সম্ভব ছিল।
Esta historia es de la edición June 15, 2025 de SANANDA.
Suscríbete a Magzter GOLD para acceder a miles de historias premium seleccionadas y a más de 9000 revistas y periódicos.
¿Ya eres suscriptor? Iniciar sesión
MÁS HISTORIAS DE SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

