Versuchen GOLD - Frei

অওয়ধি খাবারের খজানা

SANANDA

|

November 15, 2025

ছোট থেকে যে সব খাবার খেয়ে বড় হয়েছেন, নিজে যা রেঁধেছেন.... নবাব ওয়াজেদ আলি শাহএর বংশধর ও হোম শেফ মনজিলত ফতিমার চলার পথে সেগুলোই পাথেয়। হরেক স্বাদের স্মৃতির ঝাঁপি মেলে ধরলেন ‘সানন্দা'র সামনে।

অওয়ধি খাবারের খজানা

আমার বাবা চাকরি করতেন আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে। আমার আ যখন ১০ বছর বয়স, তখন বাবার কাছে চলে যাই। বাবা আর আমি থাকতাম, আর আমারই বয়সি একটি মেয়েকে রাখা হয়েছিল আমার সঙ্গী হিসেবে। যদিও আমাদের বন্ধুত্ব হওয়া মুশকিল ছিল কারণ মেয়েটি বাঙালি– মালদহে বাড়ি— আর আমি তখন এক বর্ণ বাংলা জানতাম না! যাই হোক, রান্নার দায়িত্ব নিতে শুরু করাও ওই সময় থেকেই। বাবা বলেছিলেন, “তুমি কেবল রান্না করে রেখে দাও। খাবার আধকাঁচা হোক, বেশি রান্না হয়ে যাক, খেতে খারাপ হোক – আমি ঠিক খেয়ে নেব।” তবে আমারও মাথায় থাকত যে, যা বানাচ্ছি, সেটা যেন খাওয়ার যোগ্য হয়! আমার জীবনে শিক্ষক বলুন, পথনির্দেশক বলুন— সব ছিলেন আমার মা। তখন মোবাইল ফোন তো ছিলই না, আমাদের বাড়িতে ল্যান্ডফোনও ছিল না। মায়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল চিঠি। কোনও কিছু রান্নার ইচ্ছে হলে যদি চিঠি লিখে মায়ের কাছ থেকে পরামর্শ চাইতাম.... তার উত্তর যত দিনে এসে পৌঁছত, তত দিনে হয়তো আমি হোমওয়ার্ক, উইকলি টেস্ট সব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। সেই রান্নাটা আর আমার করা হত না! রান্না শেখা হত গরমের ছুটিতে। গ্রীষ্মকালে বাড়ি চলে যেতাম দেড়-দু'মাসের জন্য। তখন আম্মা কিছু-কিছু রান্না শিখিয়ে দিতেন— যেগুলো রাঁধা সহজ এবং উপকরণগুলো উত্তরপ্রদেশে সহজে জোগাড় করা যাবে। কিছু পদ আবার ওঁকে রাঁধতে দেখে শিখে নিতাম! ১০ বছর থেকে ১৫-১৬ বছর বয়স অবধি এমনই চলেছিল। তার পর হস্টেলে চলে যাই। রান্নার উপর যবনিকা পড়ে যায় তখনকার মতো! প্রিয় খাবার কী যদি জানতে চান, শামি কাবাব আর নানা রকম খিচুড়ির কথা মনে আসে। ওই যে পাঁচ-ছ'বছর টানা রান্না করেছি, তখন এই

WEITERE GESCHICHTEN VON SANANDA

SANANDA

SANANDA

কতটা পথ পেরিয়ে এলে ভাল মেকআপ করা যায়?

‘মেয়েদের জন্য মেকআপ' সমাজনির্দিষ্ট এই ধাঁচে পুরুষদের পসার জমানো কতটা কঠিন? কেন এই পেশায় পুরুষ আধিপত্য? কী বললেন মেকআপ জগতের খ্যাতনামারা? শুনলেন পারমিতা সাহা ৷

time to read

5 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

পরিযায়ীর বিহারে নারীশক্তি

বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে দেখা গেল স্থানীয় মহিলাদের সমর্থন ও স্বাতন্ত্র্যের ছবি। গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম উৎসবে কি ‘মহিলা ভোট’ তুরুপের তাস? বিশ্লেষণে সন্দীপন চক্রবর্তী।

time to read

4 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

বিবর্তনের পুরুষ তন্ত্র'

‘আলফা’ বা ‘সিগমা’ শব্দবন্ধের মধ্যে কি বাঁধা পড়ছে পৌরুষের ধারণা? পুরুষতন্ত্রের আধুনিক ‘রূপ’ বোঝার চেষ্টায় অনিকেত গুহ।

time to read

3 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

পুরুষও সমাজের নিগড়ে বন্দি?

এই নিগড়ের নাম ‘স্টিরিয়োটাইপ’। মেয়েরাই এর শিকার বেশি বটে, কিন্তু পুরুষরাও কম নন! এর ফলে প্রভাব পড়তে পারে তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যেও। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে লিখছেন সংবেত্তা চক্রবর্তী ও উপমা মুখোপাধ্যায়।

time to read

7 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

গিটার-রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়

উত্তর চব্বিশ পরগনার কাউগাছি-চণ্ডীতলা। অধিক পরিচিত বাংলার ‘গিটার-গ্রাম' নামে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বড় গিটার তালুকে ঘুরে এলেন অনিকেত গুহ।

time to read

4 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

আশাপূর্ণা দেবী সংসার থেকে সাহিত্যযাপন

নারীদের লেখাপড়া নিয়ে যখন সমাজ ভাবতেও শেখেনি, সেই সময়ে কলম ধরেছিলেন আশাপূর্ণা দেবী। ঋদ্ধ করেছেন বাংলা সাহিত্যকে। সাধারণ হয়েও অসাধারণ তিনি, তাঁকে নিয়ে লিখছেন অধ্যাপক ঈশা দেব পাল।

time to read

4 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

লিবিডো প্ৰকাশ: সমাজেরই দর্পণ

প্রকাশ্যে যৌন ইচ্ছা জানানো, ছেলেদের প্রবণতা হলেও সেটা ‘দোষ’ নয়। এটা আসলে পুরুষতান্ত্রিকতার ফসল, যা নারীকে আত্মস্বীকৃতিতে বাধা দেয়। লিখেছেন পায়েল সেনগুপ্ত।

time to read

6 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

অ্যাপ্রন-হ্যাটে কেন পুরুষেরই আধিক্য?

পেশাদার রান্নাবান্নার জগতে কেন পুরুষদেরই বেশি দেখা যায়? বিশিষ্ট | রন্ধনশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে, | উত্তর খুঁজলেন সংবেত্তা চক্রবর্তী।

time to read

3 mins

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

ভিনটেজ wibes থেকে জেন-জি swag

যুগের সঙ্গে পুরুষদের ফ্যাশনে এসেছে অনেক বিবর্তন। সত্তর দশকের রেট্রো লুক, আশি, নব্বইয়ের ফ্যাশনস্কেপ পেরিয়ে জেন জি-র ফ্যাশন স্টেটমেন্ট— ফ্রেমবন্দি করার প্রচেষ্টা সানন্দা-র।

time to read

1 min

November 30, 2025

SANANDA

SANANDA

শুধুই ফ্যাশনের শহর নয়

মিলান মানে শিল্প, সংস্কৃতিও। অল্প দূরেই রয়েছে সৌন্দর্যের খনি, লেক কোমো। চোখ ও মন-জুড়ানো সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন বিদিশা বাগচী।

time to read

4 mins

November 30, 2025

Listen

Translate

Share

-
+

Change font size