Denemek ALTIN - Özgür
মাংস খেতে মানা নেই
SANANDA
|January 30, 2025
মহাকাব্য, শাস্ত্র, সংহিতার পাতা থেকে স্বাদরসিকদের পাতে, মাংসের উপস্থিতি সর্বত্র। লিখছেন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়।
-
জরা এবং কৃষ্ণের ভিতরে আদৌ কি কোনও সমন্বয় হয়েছিল কখনও? হতে পারে যে হয়েছিল, যখন জরা ব্যাধের ছোড়া তিরে কৃষ্ণের নরজীবনের শেষ অধ্যায় এসে উপস্থিত হয়। কিন্তু কেন তির ছুড়েছিল জরা, কৃষ্ণের কোমল পায়ের দিকে? উত্তর একটাই, সেই পা'কে ভুল করে কোনও পশুর শরীর ভেবেছিল ব্যাধ । তার পরে সে আবিষ্কার করে যে সেই পা আসলে যুগপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের। কৃষ্ণের নরলীলা সংবরণের সময়ে জরার মনের অনুতাপ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় সাহিত্য রচিত হয়েছে বলে শোনা যায়। বাংলাতেও, প্রমথনাথ বিশী একটি উপন্যাস লিখেছিলেন এই নিয়ে। কিন্তু উপন্যাস পেরিয়ে জীবন বা জনজীবনের দিকে তাকালে বোঝা যায় যে সেই সময়ের ভারতে মাংস খাওয়ার বহুল প্রচলন ছিল। কারণ তা না থাকলে, ‘ব্যাধ' হওয়া কারও জীবিকা হতে পারে না। আর জীবনে যা থাকবে, মহাকাব্যে তার প্রতিফলন পড়বেই। তাই জরা ব্যাধ উঠে এসেছিল মহাকাব্যের পাতায়, মহাভারতের মধ্যে অঙ্গাঙ্গী ভাবে মিশে আছে সেই ভারত যেখানে পশু-মাংস আহার কোনও গর্হিত কাজ ছিল না, সমাজের বিপুল অংশ সানন্দে তা গ্রহণ করত, প্রায় প্রতিটি পূজায় দেবতার উদ্দেশে নিবেদিত পশুর মাংস, প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করা এক রকম সেলিব্রেশনের চেহারা নিত।
রামায়ণের দিকেও যদি তাকাই, যদি অনুপুঙ্খ বিবরণ সরিয়ে রেখেও ভাবি, রামকে সীতা প্ৰবল তিরস্কার করে সোনার হরিণের পিছনে ছুটে যেতে বলেছিলেন, কিসের জোরে? রাম এবং লক্ষ্মণ হরিণ শিকারে পারদর্শী ছিলেন তাই। এ বার কথা হল, হরিণ শিকার কেন করতে যাবে মানুষে, যদি হরিণের মাংসই না খায়? নিশ্চয়ই হরিণের মাংস খাওয়া হত বলেই নরচন্দ্রমা রাম হরিণ শিকারে বেরোতেন, পর্ণকুটিরে থেকেও? আর রাজা, হলই বা নির্বাসিত রাজা, যে ভূখণ্ডে মাংসাহার করেন নিয়মিত, সেখানে প্রজার খাদ্যাভ্যাসও যে খুব আলাদা কিছু হয় না, তা বলাই বাহুল্য।
Bu hikaye SANANDA dergisinin January 30, 2025 baskısından alınmıştır.
Binlerce özenle seçilmiş premium hikayeye ve 9.000'den fazla dergi ve gazeteye erişmek için Magzter GOLD'a abone olun.
Zaten abone misiniz? Oturum aç
SANANDA'den DAHA FAZLA HİKAYE
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

