कोशिश गोल्ड - मुक्त
মেসি, মুনাফা ও কলকাতার ইভেন্ট-সংস্কৃতি
SANANDA
|December 30, 2025
কলকাতায় লিয়োনেল মেসির আগমন ও তার পর ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কি প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়ে কলকাতার অনুষ্ঠান সংক্রান্ত ইমেজ? লিখছেন মধুরিমা সিংহ রায়।
ঐ তিহ্যের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে ততক্ষণে আবেগের জনবিস্ফোরণ ঘটে গিয়েছে! মাঠের মধ্যে উড়ন্ত বাকেট চেয়ার, গ্যালারি থেকে ক্রমাগত ছুটে আসা জলের বোতল, সাউন্ড বক্স থেকে গেট ভাঙচুর... এ ফুটবল মাঠ না রণাঙ্গণ বোঝা অসম্ভব। এত দিনে প্রায় সকলেই জেনে গিয়েছেন, লিয়োনেল মেসির ভারত ভ্রমণের প্রথম স্টপ কলকাতা ঠিক কী রকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল ১৩ ডিসেম্বর। মাঠের বাইরে কেউ কাঁদছেন, ১০ হাজার টাকা মাইনে পেয়ে ২০ হাজারের টিকিট কেটেছিলেন শুধুমাত্র ফুটবলের রাজপুত্রকে দেখবেন বলে। কেউ আবার নিকটাত্মীয়ের শ্রাদ্ধ সেরেই চলে এসেছেন বুকে মেসির ছবি আগলে। কেউ এসেছেন কেরল থেকে, কেউ বেঙ্গালুরু, কেউ ঝাড়গ্রাম। মেসি ও ফুটবলের আবেগ মিশিয়ে দিয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকে পুরুলিয়াকে। কিন্তু তার পর? চোখের জলে, অসম্ভব রাগে মাঠ ছাড়তে ছাড়তে কেউ কেউ অভিশাপ দিয়ে গেলেন রাজ্য সরকার, রাজ্য পুলিশ ও আয়োজকদের। কেউ ব্যাঙ্গাত্মক সুরে বললেন, “অরূপ বিশ্বাসের ইভেন্টে মেসি গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্স দিচ্ছেন।” ফুটবল-পাগল শহরে এ আবেগ তো স্বাভাবিক। আর এই আবেগের সঙ্গে স্বার্থান্বেষীদের অভিঘাত লাগলে তা যে আগ্নেয়গিরি-সম রূপ নেবে, তার স্রোত পৌঁছে যাবে সুদূর আর্জেন্তিনাতেও (সেখানকার কাগজে লেখা হয়েছে কলকাতায় 'দাঙ্গা' হয়েছে)...তাও স্বাভাবিক। তা হলে কেন হল এমনটা? কেন মুখ পুড়ল কলকাতার? মেসি ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া মহল জানতেই পারল না কলকাতা ও ফুটবল কোন আবেগের সুতোয় বাঁধা ! রাজ্য সরকারের নেতা-মন্ত্রী-আমলার ভিআইপিবেষ্টনীর জেরে মেসি অধরা রইলেন সাধারণ মানুষের কাছে। কিন্তু মূল আয়োজক শতদ্রু দত্ত কি তা হলে শুধুই ‘স্কেপগোট'? কলকাতায় এত বড় ইভেন্টে এমন ভিআইপি-সংস্কৃতি কেন? মুখ্যমন্ত্রী ও শাহরুখ খান আসার আগেই মেসিকে নিয়ে মাঠ-ভ্রমণ কেন? আবার কেউ কেউ বলছেন, এত টাকা দিয়ে মেসিকে শুধু দেখতে আসা কি আদৌ যুক্তিযুক্ত? শুধুমাত্র মেসির ইভেন্টে যে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে (মেসি নিয়েছেন ৮৯ কোটি), তার সিকিভাগও যদি ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে লাগত, তা হলে হয়তো ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তলানিতে হত না আমাদের। অসংখ্য প্রশ্নের ভিড়ে একটি সংশয় মন থেকে যাচ্ছেই না! কলকাতা কি তা হলে বড় ইভেন্টের জন্য প্রস্তুত নয়?
यह कहानी SANANDA के December 30, 2025 संस्करण से ली गई है।
हजारों चुनिंदा प्रीमियम कहानियों और 10,000 से अधिक पत्रिकाओं और समाचार पत्रों तक पहुंचने के लिए मैगज़्टर गोल्ड की सदस्यता लें।
क्या आप पहले से ही ग्राहक हैं? साइन इन करें
SANANDA से और कहानियाँ
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size
