कोशिश गोल्ड - मुक्त
ঘরে ফেরা
SANANDA
|June 30, 2025
ঘরের ভিতর ঢুকে চারিদিকে তাকাতে লাগলেন নিতাইবাবু। আবেগে তাঁর মুখ থেকে কোনও শব্দ বার হল না। প্রথমেই গেলেন বাগানে। নিজের লাগানো আম, পেয়ারা গাছগুলি দেখতে। ফাঁকা বাড়িতে কেউ না থাকলেও মাঝে মাঝে বাড়ি পরিষ্কারের আর বাগান পরিচর্যার জন্য কাজের মেয়ে পদ্মাকে টাকা দিতেন তিনি।
সকাল থেকেই নিতাইবাবু আনন্দে মশগুল। একটা রোমাঞ্চকর অনুভূতি। এও যে সম্ভব, ভাবতে অবাক | লাগছে তাঁর। আজই বৃদ্ধাশ্রমে তাঁর শেষ দিন। প্রায় ছ'বছর পর তিনি নিজের ঘরে ফিরে যাবেন। ছেলে নিতে আসবে। দীর্ঘ অভিমানেরও সমাপ্তি। নিতাইবাবুর সহআবাসিকরাও আনন্দিত। নানা জনের নানা মন্তব্য আসছে এমন উলটপুরাণ দিনে। বৃদ্ধাশ্রম মোটামুটি ওয়ান ওয়ে রাস্তা। নিরুপায় জীবনে মানুষ এখানে একবার এলে না ফেরার দেশে যাওয়া পর্যন্ত থেকে যায়। কিন্তু নিতাইবাবু আজ ফিরবেন।
নিতাইবাবুর আনন্দ দেখে পাশের ঘরের প্রবীণ বরেনবাবু বললেন, “কী নিতাই! বাহ্, বেশ লাগছে তোমাকে ধোপদুরস্ত পায়জামা-পাঞ্জাবিতে। তোমার মতো কপাল ক'জনের হয় বলো দেখি? বলেছিলাম না, ছেলে একদিন আসবেই ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।” ছেলের প্রতি গর্ব অনুভব করে নিতাইবাবু বললেন, “আমারই হিসেবে কোথাও ভুল ছিল বরেন। ছেলের আমার সুবুদ্ধি হয়েছে বলতে পারো।”
“ঠিক বলেছ। তুমি সত্যিই ভাগ্যবান। আমারটা দ্যাখো। দু'বছর বলে সেই যে কানাডায় চলে গেল, আর ফেরার নাম নেই। ভেবেছিলুম, অন্তত আট-দশ বছর পরে হলেও ফিরে আসবে। ততদিন আমাদের হাত-পা সচল থাকবে। তার পর আবার থাকব একসঙ্গে। কিন্তু তা আর হল কই! ওরা ওখানেই সেলড হল। আর আমাদেরও হাত-পা অকেজো হতে শুরু করল। বলতে নেই, আমার কপাল ভাল যে, স্ত্রীকে এই বৃদ্ধাশ্রমে আনতে পেরেছি। মাঝে মাঝে নাতি-নাতি করে ও পাগল হয়ে যায়। যাক গে, থাক ওসব কথা। আজ আনন্দের দিন। নতুন জীবন শুরু করবে তুমি। আসলে তোমায় দেখে আমারও ইচ্ছে করছে ওদের ফিরে পেতে,” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বললেন বরেনবাবু।
यह कहानी SANANDA के June 30, 2025 संस्करण से ली गई है।
हजारों चुनिंदा प्रीमियम कहानियों और 10,000 से अधिक पत्रिकाओं और समाचार पत्रों तक पहुंचने के लिए मैगज़्टर गोल्ड की सदस्यता लें।
क्या आप पहले से ही ग्राहक हैं? साइन इन करें
SANANDA से और कहानियाँ
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size
