कोशिश गोल्ड - मुक्त
এ দেশে আমাদের চেয়ে ভাল জুতো কেউ বানায় না -
SANANDA
|May 30, 2025
নিজের কাজের প্রতি রোহন অরোরার এতটাই আস্থা। তাঁর ভিজিটিং কার্ডের পিছনেও পূর্ণ আশ্বাসের সঙ্গে লেখা ‘উই মেক দ্য বেস্ট শুজ় আন্ডার দ্য সান'... এবং তিনি বিশ্বাস করেন তাঁর তৈরি জুতো হল জিমি চু-র ভারতীয় জবাব। এহেন শু-ডিজ়াইনারের সঙ্গে আলাপচারিতায় পারমিতা সাহা ।
-
বালিগঞ্জে রোহন অরোরার বিপণিতে ঢুকলে খানিক তাক লেগে যায় বইকি। জুতোর বৈচিত্রে, এমব্রয়ডারিতে যেমন তাঁর শিল্পচেতনার পালক স্পৰ্শ, সেই ছোঁয়া রয়েছে এখানকার অন্দরসজ্জাতেও। রং নির্বাচন, আলোর ব্যবহারের সৌজন্যে দেওয়ালে সাজানো জুতোগুলির সুষমা নজর কাড়ে। পৌঁছে দেখি, শিল্পী নিবিষ্ট ফোনের অপর প্রান্তের মানুষকে একটি জুতোর কাশ্মীরি নকশার ভুলভ্রান্তি বুঝিয়ে দিতে। সোয়ারোভ্সকি, পার্ল, রেশমের কাজ করা জুতো দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল, কলকাতার মতো শহরে বসে কাস্টমাইজড জুতোর ব্যবসা শুরু করার ভাবনাটাই বিরাট চ্যালেঞ্জিং। যে শহরে বহু ডিজ়াইনার ঝাঁপ বন্ধ করেছেন, সেখানে দামি ডিজ়াইনার জুতোর সম্ভার নিয়ে রোহন সফল ভাবে এগিয়ে চলছেন কী ভাবে....
একেবারে গোড়ার কথা থেকেই শুরু করা যাক। সতেরো বছর আগে কাস্টমাইজড জুতো তৈরির ভাবনাটাই তো অদ্ভুত! আসলে শুরু করেছিলাম একটা বিজনেস আইডিয়া হিসেবে। ২০০৭-০৮ নাগাদ এক কাজিনের বিয়ের সময়ে নিজের জন্য জুতো কিনতে গিয়ে সব বড় ব্র্যান্ডের দোকানে ঘুরছি। কোথাও রং পছন্দ হচ্ছে না তো কোথাও ডিজ়াইন। তার পর এক দোকানে গিয়ে দেখলাম, পাঁচজন মহিলা একসঙ্গে এসেছেন জুতো কিনতে। কিন্তু কোনও জুতোর হিল বেশি, কোনও জুতো তাঁদের ব্ল্যাক পছন্দ কিন্তু রয়েছে লাল... এবং ফাইনালি তাঁরা কিছু না কিনেই দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন। সেখান থেকেই কাস্টমাইজড জুতো বানানোর আইডিয়াটা মাথায় আসে। তার পর সেই কাজিনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যখন জয়মালা হচ্ছে, তার হিল গেল ভেঙে। তখন আবার মনে হল, আমার জুতোর কোয়ালিটি হবে সেরা। ২০০৮-এ যখন ব্যবসা শুরু করি, তখন কলকাতায় তো বটেই, গোটা দেশেই কেউ কাস্টমাইজড শু বানাত না। বিশেষ কিছু যে জানতাম তা নয়। তখন সিআইটি রোডের কাছে একটা জায়গায় তখন অসংখ্য ছোট ছোট জুতোর কারখানা ছিল। সেখানে চলে গেলাম কাজ শিখতে। প্রথমে তো কেউ কাজ শেখাতে রাজি হচ্ছিল না। তার পর একদিন বক্সার আর গেঞ্জি পরে গিয়ে হাজির হলাম। তখন ওঁরা আমাকে সপ্তাহে ১৮০ টাকা মজুরিতে কাজে নিলেন। আমার কাজ ছিল কেরোসিন তেলে জুতো মুছে প্যাক করা আর চা সিগারেট এনে দেওয়া।
यह कहानी SANANDA के May 30, 2025 संस्करण से ली गई है।
हजारों चुनिंदा प्रीमियम कहानियों और 10,000 से अधिक पत्रिकाओं और समाचार पत्रों तक पहुंचने के लिए मैगज़्टर गोल्ड की सदस्यता लें।
क्या आप पहले से ही ग्राहक हैं? साइन इन करें
SANANDA से और कहानियाँ
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size
