Essayer OR - Gratuit
আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স-এর হাত ধরে চাকরির ক্ষেত্র আরও মজবুত হবে
SANANDA
|August 15, 2024
সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার প্রথম সর্বভারতীয় মহিলা চেয়ার পার্সন অরুন্ধতী ভট্টাচার্য। আলাপচারিতায় অনিকেত গুহ
-
আপনি প্রথম জীবনে একজন সাংবাদিক হতে চেয়েছিলেন। সেই জায়গা থেকে দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার অন্যতম সফল স্থপতি। জীবনের এই চূড়ান্ত পট পরিবর্তনটা কী ভাবে হল? উ: (কিছুটা হেসে) স্কুলিং শেষ হওয়ার পরে বাকি সকলের মতো আমারও একটা চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে যে, কী নিয়ে পড়ব। এবং আমার মনে আছে, সেই বছরই (১৯৭২ সাল) প্রথম জেইই পরীক্ষা হয়। কিছুটা ঝোঁকের বশে সেই পরীক্ষায় বসি। আশ্চর্যজনক ভাবে আমি মেডিক্যালে চান্সও পাই। কিন্তু সেই সময়ের মেডিক্যাল কোর্সের সঙ্গে আজকের পঠনপাঠনের বিস্তর তফাত। তখন একজন স্টুডেন্টের মেডিক্যাল শেষ করতেই লেগে যেত প্রায় ৮ বছর।
আর ঠিক ৩ বছরের মাথায় ছিল বাবার অবসর। ফলে, এমন কিছুতে নিজেকে জড়াতে চাইনি যা ভবিষ্যতে আর্থিক ভাবে আমার কেরিয়ারের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। আর মেডিক্যালে না যাওয়ার আরও একটা বড় কারণ ছিল, তখন কোনও রকম হস্টেল ফেসিলিটি ছিল না। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে একটি মেয়ে, ছেলেদের সঙ্গে একই ক্লাসে, একই ল্যাবরেটরিতে ডাক্তারি পড়বে— এটা বোধ হয় অনেকেই ভাবেননি। আজ যেমন পাড়ায় পাড়ায় 'লেডিজ হস্টেল'-এর রমরমা, সে সময়ে এই ধারণাটা ছিল খুবই সামীবদ্ধ। শহরের হাতেগোনা কয়েকটা এলাকা ছাড়া আর কোথাও এই সুবিধে ছিল না। বলতে পারেন বেশ দোটানায় ছিলাম। ইংরেজি ভাষা নিয়ে পড়ার প্রস্তাবও আসে। কিন্তু সত্যি বলতে, বিষয়টা আমার ঠিক পোষালো না (হেসে)। জার্নালিজম সাবজেক্টটার প্রতি একটা অ্যাট্রাকশন ছিল। বেশ অ্যাডভঞ্চারাস ও ক্রিয়েটিভ। কিন্তু সেই সময়ে জার্নালিজম নিয়ে পড়ার জন্য চেনা-পরিচিতির দরকার পড়ত। আমার তো তেমন কিছুই ছিল না। আর একটা সময়ের পরে ফ্যামিলির স্বার্থে চাকরি করাটা আবশ্যিক হয়ে দাঁড়াল। ফলে আমি সর্বভারতীয় পরীক্ষাগুলো দিতে থাকি।
Cette histoire est tirée de l'édition August 15, 2024 de SANANDA.
Abonnez-vous à Magzter GOLD pour accéder à des milliers d'histoires premium sélectionnées et à plus de 9 000 magazines et journaux.
Déjà abonné ? Se connecter
PLUS D'HISTOIRES DE SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

