Versuchen GOLD - Frei

যাদবপুর বিদ্যাপীঠ, কলকাতা

ANANDAMELA

|

20 Aug, 2024

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এই স্কুল ভারতবর্ষ স্বাধীনতা পাওয়ার অব্যবহিত পর থেকে আজও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছে লক্ষ-লক্ষ শিশুমনে ৷

যাদবপুর বিদ্যাপীঠ, কলকাতা

ভারতবর্ষে তখনও ব্রিটিশ শাসন। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুরু হল স্বদেশি আন্দোলন। এমন একটা সময়ে এ দেশে মাতৃভাষায় শিক্ষা ও গবেষণার ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হলেন ঋষি অরবিন্দ, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো ব্যক্তিত্বরা। এই উদ্দেশ্যে ১৯০৬ সালে গঠিত হল জাতীয় শিক্ষা পরিষদ। কলকাতার যাদবপুরে শুরু হয়ে গেল বেঙ্গল টেকনিক্যাল স্কুল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৯৫৫ সালে সেটিই নাম বদলে হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র ও তদানীন্তন রেক্টর ত্রিগুণা সেনের আগ্রহ ও উদ্যোগে, জাতীয় শিক্ষা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ১১ মার্চ, ১৯৫৭ পার্থপ্রতিম সালে নার্সারি পড়ুয়াদের নিয়ে পথচলা শুরু করে যাদবপুর প্রাইমারি স্কুল। উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট পণ্ডিত বিধুশেখর শাস্ত্রী। কালক্রমে তা-ই হল যাদবপুর বিদ্যাপীঠ। প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য জানালেন, “সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি সেকশন মিলিয়ে সতেরোশোর কাছাকাছি ছেলেমেয়ে এই স্কুলে পড়ে। স্থায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন পঞ্চাশ জনের কাছাকাছি। পার্শ্বশিক্ষিকা আছেন ৩ জন। গ্রন্থাগারিক আছেন, অফিস স্টাফ আছেন আরও ৫ জন। কিছু শিক্ষাকর্মীও স্কুলে আছেন, যাঁরা স্কুলে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে চলেছেন।” যাদবপুর বিদ্যাপীঠ যেহেতু কলকাতা শহরের ব্যস্ত এলাকার মাঝখানে, ফলে স্কুলটির এলাকা পরিবর্ধনের দ্য সুযোগ কম। নিজস্ব খেলার মাঠ না থাকায় বিদ্যাপীঠের পড়ুয়াদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে। এ বাদে স্কুল চত্বরের ভিতরের পরিকাঠামো অত্যাধুনিক। স্কুলে আছে উন্নত মানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গ্রন্থাগার। প্রতিটি বিষয়ের জন্য অত্যাধুনিক পরীক্ষাগার আছে।

WEITERE GESCHICHTEN VON ANANDAMELA

ANANDAMELA

ANANDAMELA

বকুলতলার বেদি

অন্য ঘরগুলোয় তুলনায় এই তুলনায় এই ঘরের দরজাটা বেশ বড়, শক্তপোক্ত। ধীরে ধীরে দরজা খুলছে। খুলছে ভিতর দিকে। কেমন একটা ভ্যাপসা, ভিজে ভিজে গন্ধ৷ দেওয়ালে কোনও জানলা নেই। তার পরেই আঁতকে ওঠার মতো একটা দৃশ্য । ঘরটার কোনও মেঝে নেই। বিরাট এক গহ্বর। অন্ধকার।

time to read

7 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

অপয়া

প্রলয় ওরফে পলুকে নিয়ে এক মানুষের জীবনের রহস্যময় মুহূর্তগুলোর গল্প—যার প্রতিটি দেখা যেন নতুন ঘটনার ইঙ্গিত। ভাগ্য, কাকতাল, আর মানুষের মনে জন্মানো অদ্ভুত বিশ্বাস—সব মিলিয়ে এক টানটান আবহের কাহিনি।

time to read

6 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

আশ্চর্য ইঙ্গিত

রাতের অমাবস্যায় দেবুর দুঃসাহসিক যাত্রা তাকে নিয়ে যায় জমিদারবাড়ির রহস্যের সামনে। ভূতের ইঙ্গিতেই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হয় হারানো রাধা–কৃষ্ণের মূর্তি, ফিরতে থাকে গ্রামের মেলা।

time to read

6 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

তারা এসেছিল

সে দিন রাতে আবার আওয়াজ শোনা গেল কাঠের বারান্দায়। কোনও ডাক নয়। বুক ঘষটে থপ থপ শব্দে কিছু উঠে আসার শব্দ যেন। কেন জানি না, টমির মনে হল, দরজা খোলাটা বোধ হয় ঠিক হবে না। জানলার পর্দাটা সরিয়ে উঁকি দিল বারান্দায়

time to read

8 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

চন্দনস্যর

১. বৃষ্টিভেজা সকালে বাসুদেববাবুর চোখে হঠাৎ ভেসে ওঠে পুরনো অঙ্কস্যর চন্দনস্যরের অবিকল চেহারা। ২. চল্লিশ বছর আগের মানুষটি যেন আজও অপরিবর্তিত—এ কোন রহস্য, নাকি তাঁর মনের ভুল?

time to read

12 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

তাতারের বন্ধু

অলৌকিক বলে কিছু হয় না। অন্তত তাতার তো মানে না। ওর বাবা কলেজে ফিজিক্স পড়ান ৷ মা-ও কলেজে পড়ান। তবে সাইকোলজি। ঠাকুরদা ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। বড় পদে চাকরি করতেন। সকলের আশা তাতারও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করবে।

time to read

7 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

ভবানীবাবুর ভূত

হারু একটু ভীরু প্রকৃতির ছেলে। রীতিমতো ভয় পেয়ে সে বলল, “তা হলে কী হবে দাদা?” হরিদাস বলল, “হবে আর কী, কোনও দিন সকালে তোর দোকানে চা খেতে এসে দেখব, তুই ঘাড় লটকে মরে পড়ে আছিস।”

time to read

9 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

যেখানে ভূতের ভয়,

বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাস? অতিপ্রাকৃত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বললেন পৃথা বসু

time to read

3 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

পাহাড়ের সেই রাত

চিরকুট খুলতেই অতীতের লুকোনো সত্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। অভয়জির অলৌকিক ক্ষমতার আড়ালে যে ভয়াবহ অন্ধকার লুকিয়ে আছে, তা বুঝতে দেরি হল না।

time to read

7 mins

October 20, 2025

ANANDAMELA

ANANDAMELA

বশীকান্ত

নন্দুর উপস্থিতি টের পেয়ে বশীকান্ত একশো আশি ডিগ্রি মাথাটা ঘুরিয়ে বলল, “আরে নন্দুদা যে! আজ তোমার ছুটি, আমিই বাবুর পছন্দের রান্না করছি।” ভূতে তার নাম নিচ্ছে, নন্দু আর দাঁড়াল না। পাঁই পাঁই করে ছুটে পালিয়ে এল সেখান থেকে।

time to read

10 mins

October 05, 2025

Listen

Translate

Share

-
+

Change font size