يحاول ذهب - حر
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
December 30, 2025
|SANANDA
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
-
ফেব্রুয়ারি মাসের বারো তারিখ। সাল, ১৯০৩ । কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের একটি সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন সেই সময়ের ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন। বড়লাটের ক্ষোভের কারণ, শহরের বাড়তে থাকা বায়ুদূষণ – কালিমাখা, ধোঁয়াভরা বাতাস। যা কার্জনের ভাষায়, 'sometimes almost makes one forget that this is an Asiatic capital, which besmirches the midday sky with its vulgar tar brush and turns our sunsets into a murky gloom. I am reluctant to see Calcutta, which has risen like a flame, perish in soot and smoke'। এই অবস্থার নিষ্কৃতি হিসেবে একটি পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন, ‘I may inform you that we have an expert from England, even now on the seas, coming out here to advise us as to how we may combat this insidious and growing danger' সম্ভবত, এরই পরিণতি বছর দুয়েক পরের ‘বেঙ্গল স্মোক অ্যান্ড নিয়ুসসেস অ্যাক্ট' (১৯০৫)। আজ বায়ুদূষণ উৎপত্তির কারণ একাধিক, প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বায়ুদূষণের ধরনধারণ হয়েছে বিবিধ, তাও আমাদের জানা। কিন্তু বিংশ শতকের দোরগোড়ায় কী এমন ঘটত, যার ফলে ‘সুট অ্যান্ড স্মোক'-এ ঢেকে যেত কলকাতা? ১৮৫৫ সালের আগে দূষণ হত মূলত ঘুঁটে-গোবর, কাঠ পোড়ানো থেকে, জ্বালানির যে-সমস্ত একমাত্র উপাদান ছিল তখন। ১৮৫৫-র পর জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার ও চাহিদা, দুই-ই বেড়ে গিয়েছিল, রেললাইনের মাধ্যমে রানিগঞ্জ কয়লাখনির সঙ্গে কলকাতা সংযুক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে। এবার সেই কয়লাই অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াল শহরের বায়ুদূষণের। শহরের ও আশপাশের কলকারখানাগুলিতে কয়লাই তখন যন্ত্রর প্রধান চালিকাশক্তি। ১৮৮০-র পর বাণিজ্যিক ভাবে কয়লা সাধারণ নাগরিক গৃহেও ব্যবহৃত হতে লাগল। শহরের আকাশে পড়তে লাগল কৃষ্ণব
هذه القصة من طبعة December 30, 2025 من SANANDA.
اشترك في Magzter GOLD للوصول إلى آلاف القصص المتميزة المنسقة، وأكثر من 9000 مجلة وصحيفة.
هل أنت مشترك بالفعل؟ تسجيل الدخول
المزيد من القصص من SANANDA
SANANDA
গুড়-আচারের আদর-যত্নে
নলেন গুড়, কুলের আচার থেকে রাধাতিলক চাল...প্রিজারভেটিভ মুক্ত খাদ্যসামগ্রীর সম্ভার নিয়ে ব্র্যান্ড গড়েছেন সেঁজুতি মাহাতো ও অভিষেক চৌধুরী।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
নীলকণ্ঠ আকাশের নীচে
ঔপনিবেশিক কলকাতায় বায়ুদূষণ নিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ করেছিলেন শাসকরা। স্বাধীন সময়ে সেই একই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ে কে ভাবছে? প্রশ্ন তুললেন সায়ম বন্দ্যোপাধ্যায়।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
পোশাকে প্রকৃতির ছাপ
ন্যাচারাল ডায়িং এবং ইকো প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে পোশাকে ধরে রাখেন পারমিতা ভট্টাচার্য। কী ভাবে তৈরি করলেন তাঁর ব্র্যান্ড?
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
মাটির কাছাকাছি...
বাংলার খাবার পৌঁছে যাক বাংলার প্রতিটি ঘরে, এই লক্ষ্যেই নিজের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন অরিত্রা সেনগুপ্ত ভট্টাচার্য।
2 mins
December 30, 2025
SANANDA
শশী বলেছিল, ইন্ডিয়া ম্যাটার্স টু মি, আই ওয়ান্ট টু ম্যাটার টু ইন্ডিয়া
সম্প্রতি কলকাতায় এক টক শো-এ দুই বোন শোভা তারুর ও স্মিতা তারুরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ শশী তারুর। পরিবার, লেখকসত্তা থেকে রাজনীতির প্রসঙ্গ, উঠে এল সবই। সাক্ষী থাকল সানন্দা।
3 mins
December 30, 2025
SANANDA
রূপান্তর
“এই ধর তোর অ্যাপার্টমেন্টের একটা সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নিয়ে টেবিলের উপরে ফোনটা রেখে তোর নিজের সম্পর্কে, শহরটা সম্পর্কে নানা ইন্টারেস্টিং টপিকে কথা বলবি। ঘরের ভিতর যেন ভাল আলো থাকে সেটা খেয়াল করবি। তার পর কনফিডেন্স বেড়ে গেলে ‘ফলো মি অ্যারাউন্ড' করবি।”
5 mins
December 30, 2025
SANANDA
স্বাদকাহনে সানন্দারা
‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর'এর প্রতিযোগীদের নিয়ে হয়ে গেল জমজমাট ওয়ার্কশপ, ‘সানন্দা রোববারের রান্নাঘর স্বাদকাহন'।
1 mins
December 30, 2025
SANANDA
শিকড় ছুঁতে চাওয়া...
স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হোমগ্রোন ব্র্যান্ডগুলি দিচ্ছে কনশাস লিভিংয়ের পাঠ। কলমে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্বজয়
দৃষ্টিশক্তিহীন মহিলাদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের দুই অন্যতম স্তম্ভ অসমের সিমু দাস ও মহারাষ্ট্রের গঙ্গা কদম। সংগ্রাম পেরিয়ে তাঁদের সাফল্যের কাহিনি, জুম সাক্ষাৎকারে মধুরিমা সিংহ রায়।
4 mins
December 30, 2025
SANANDA
বাংলা শীতের খেজুরে আলাপ
শীত হল নলেন গুড়ের মাস। পৌষের শিশির কুয়াশা মেখে মাটির হাঁড়িতে তিলে তিলে প্রাণ পায় চিরন্তন এই স্বাদ। খেজুর গুড় ও বঙ্গ-স্বাদের রাজযোটক নিয়ে লিখছেন কল্যাণ কুমার দে।
6 mins
December 30, 2025
Listen
Translate
Change font size

